কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ০১:৪৬ PM

ভূতাত্ত্বিক মানচিত্রায়ন ও কোয়াটারনারী ভূতত্ত্ব শাখা

কন্টেন্ট: পাতা

শাখাঃ ভূতাত্ত্বিক মানচিত্রায়ন কোয়াটারনারী ভূতত্ত্ব

(Branch: Geological Mapping and Quaternary Geology)

শাখা প্রধান

ড. মোঃ আহসান হাবিব

পরিচালক (ভূতত্ত্ব)

ফোন (অফিস): ০২-৪১০৩৩১১২

মোবাইল: ০১৭১৫৯১৩৪৬৯

ইমেইল: ahosan.habib@gsb.gov.bd

বাংলাদেশের শতকরা ৮০ ভাগ এলাকা কোয়াটারনারী যুগের পলল দ্বারা গঠিত। অবশিষ্ট এলাকা টারশিয়ারী যুগের শিলায় গঠিত পাহাড়ী অঞ্চল। সার্বিক বিবেচনায় দেশের বিভিন্ন উন্নয়নে ভূতাত্ত্বিক মানচিত্রের গুরুত্ব অপরিসীম। এ দৃষ্টিকোণ থেকে উক্ত শাখার মাধ্যমে মূলতঃ ১:৫০,০০০ স্কেলে উপজেলা ভিত্তিক মানচিত্রায়ন করা হয়ে থাকে। এছাড়াও বিশেষ ক্ষেত্রে ১:২৫০,০০০ স্কেলেও ভূতাত্ত্বিক মানচিত্র প্রস্তুত করা হয়। মানচিত্রায়ন কাজের পাশাপাশি কোয়াটারনারী যুগের ভূতাত্ত্বিক ইতিহাস ও জলবায়ুর তথ্যাদি গবেষণার মাধ্যমে উম্মোচন করা, বিভিন্ন দূর্যোগ যথা - বন্যা, নদী ভাঙ্গন, জলোচ্ছ্বাস, নদীর গতিপথ পরিবর্তন ইত্যাদি বিষয়ের উপর তথ্য সংগ্রহ ও কারণ শনাক্ত করা হয়।

শাখায় সংশ্লিষ্ট লোকবল:

১। মোঃ হোসেন খসরু, উপ-পরিচালক (ভূতত্ত্ব)
২। তানজিম তামান্না আফরোজ, সহকারী পরিচালক (ভূতত্ত্ব)
৩। মোঃ নাজমুল হাসান, সহকারী পরিচালক (ভূতত্ত্ব)
৪। মোঃ মিজানুর রহমান, সহকারী পরিচালক (ভূতত্ত্ব)

লক্ষ্য: উপজেলা ভিত্তিক ১:৫০,০০০ স্কেলে ব্যবহার উপযোগী ভূতাত্ত্বিক মানচিত্র-প্রতিবেদন প্রণয়ন পূর্বক মাঠপর্যায়ে তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ নিশ্চিতকরণ।

শাখার কাজ: খনিজসম্পদ অনুসন্ধানসহ দেশের বিভিন্ন উন্নয়নে, ভূদুর্যোগ-দূষণ চিহ্নিতকরণ ও প্রশমনে ভূতাত্ত্বিক মানচিত্রায়নের গুরুত্ব অপরিসীম। এ দৃষ্টিকোণ থেকে উক্ত শাখার মাধ্যমে মূলতঃ ১:৫০,০০০ স্কেলে উপজেলা ভিত্তিক মানচিত্রায়ন করা হয়ে থাকে।

  • মানচিত্রায়নের স্বার্থে বহিরঙ্গনে বিশদ জরিপ পরিচালনা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ;

  • উপজেলা ভিত্তিক ১:৫০,০০০ স্কেলে (ক্ষেত্র বিশেষে বিভিন্ন স্কেলে) বহিরঙ্গন হতে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ /বিশ্লেষণপূর্বক মানচিত্র-প্রতিবেদন প্রণয়ন;

  • মানচিত্রায়িত এলাকায় খনিজের উপস্হিতি, ভূগর্ভস্হ ও ভূ্উপরিস্হিত পানির আধার ও প্রাকৃতিক দূর্যোগ-দূষণ (ভূমি ধ্বস, নদী ভাঙ্গন, মাটি ও পানির দূষণ) সম্পর্কে প্রাথমিক তথ্য প্রদান; / চিহ্নিতকরণ এবং প্রশমনের কৌশল নির্ধারণে সহায়তা প্রদান

  • নদীর গতিপথ ও ভূমির উৎপত্তি-গঠন, নব্যভূআন্দোলন, পলল অবক্ষেপণ, হার/ বাজেট, উৎস ও ভূমি অবনমনের হার নির্ণয়; অতীত সমুদ্রপৃষ্ঠ-জলবায়ু পরিবর্তন এবং এলাকার ভূতাত্ত্বিক ইতিহাস/বিবর্তন সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত উদঘাটন;

  • ভূতাত্ত্বিক নমুনার ভূরাসায়নিক বিশ্লেষণ (ICP-MS) এবং বয়স (TL/OSL) নির্ণয়;

  • চাহিদা মোতাবেক দেশের উন্নয়ন কর্মকান্ডে ভূতত্ত্ব সংক্রান্ত তথ্যাদি সরবরাহ; বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা গবেষণামূলক প্রতিষ্ঠানসমূহকে ভূতাত্ত্বিক বিষয়ে সহায়তা প্রদান।

সাম্প্রতিক জরিপ কার্যক্রম:

  • চন্দনাইশ (২০২৫-২৬),জৈন্তাপুর (২০২৪-২৫), রাউজান(২০২৩-২৪), রাঙ্গুনিয়া (২০২২-২৩), রাঙ্গামাটি সদর (২০২১-২২), কাপ্তাই ও দূর্গাপুর (২০২০-২১), হাটহাজারী (২০১৯-২০) উপজেলা।

পরীক্ষাগার:

  • ICP-MS: ভূরাসায়নিক বিশ্লেষণ (৮০টি মৌল);

  • TL/OSL: ভূতাত্ত্বিক নমুনার বয়স নির্ণয়;

গবেষণা ও প্রকাশনা:

  • নিয়মিত WOS/SCOPUS জার্নালে গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ;

  • বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ ।

শাখার কাজসমূহ

ভূতাত্ত্বিক মানচিত্রের ব্যবহার:

  • ভূতাত্ত্বিক ইতিহাস/বিবর্তন সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত উদঘাটনে;

  • খনিজ ও পানি সম্পদ অনুসন্ধান, আবিষ্কার, গবেষণা ও আইন-নীতি প্রণয়নে;

  • ভূদুর্যোগ- দূষণ চিহ্নিতকরণ ও ব্যবস্থাপনা (ভূমিধ্বস, নদীর গতিপথ পরিবর্তন, ইত্যাদি);

  • টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনা (নগরায়ন, শিল্পায়ন ও উন্নয়নমূলক);

  • পরিবেশ সংরক্ষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা;

  • ভূতাত্ত্বিক গবেষণায় প্রাথমিক টুলস হিসেবে।

অংশীজন:

  • বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়: পেট্রোবাংলা, হাইড্রোকার্বন ইউনিট, BMD;

  • বিশ্ববিদ্যালয়: শিক্ষা ও গবেষণামূলক প্রতিষ্ঠানসমূহ;

  • স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়: সিটি কর্পোরেশন, উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, পৌরসভা, DPHE ইত্যাদি;

  • গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়: প্রকৌশল ও নির্মাণ;

  • শিল্প মন্ত্রণালয়: বিসিক;

  • বেজা: ইপিজেড এলাকা নির্ধারণ।

অতীত কর্মকাণ্ডের সাফল্য:

  • সমগ্র বাংলাদেশের ১:১০,০০,০০০ স্কেলে ভূতাত্ত্বিক মানচিত্র প্রণয়ন (১৯৮১-১৯৯০) করা হয়েছে;

  • উপকূল এলাকার (২০০৬-২০১১) ১:২৫০,০০০ স্কেলে (৩৬,০০০ ব কি.মি.) এবং ১:৫০,০০০ স্কেলে (১০,০০০ ব কি.মি.)মানচিত্রসহ প্রতিবেদন প্রস্তুত;

  • চলনবিল (২০১০-২০১৩) ১:৫০,০০০ স্কেলে (৭,০৫৪ ব কি.মি.) মানচিত্রসহ প্রতিবেদন প্রস্তুত;

  • সমগ্র বাংলাদেশের ১: ৫০,০০০ স্কেলে আনুমানিক-৩৩% ভূতাত্ত্বিক মানচিত্রসহ প্রতিবেদন প্রস্তুত;

  • উন্নয়ন প্রকল্প যেমন: মাতারবাড়ী উন্নয়নে প্রাথমিক ভূতাত্ত্বিক প্রতিবেদন প্রণয়নের মাধ্যমে সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

ভবিষ্যৎ কর্ম পরিকল্পনা:

  • আগামী ২৫ বছরের মধ্যে সমগ্র বাংলাদেশের ১: ৫০,০০০ স্কেলে ভূতাত্ত্বিক মানচিত্র প্রণয়ন এবং ওয়েববেইজ উপজেলা ভিত্তিক মানচিত্র প্রকাশ করা হবে।

  • এই লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ‘সিলেট বিভাগের সমন্বিত ভূতাত্ত্বিক মানচিত্রায়ন (ভূতাত্ত্বিক, ভূ-প্রকৌশল, ভূ-রাসায়নিক) শীর্ষক কারিগরি প্রকল্প।’ মন্ত্রণালয়ে প্রেরণের জন্য দাখিল করা হয়েছে।

সীমাবদ্ধতা:

  • যুগোপযোগী বৈজ্ঞানিক প্রশিক্ষণের অভাব;

  • যন্ত্রাংশ মেরামত কার্যক্রমে জরুরি সেবা ও বরাদ্দে দীর্ঘসূত্রিতা;

  • শাখায় পর্যাপ্ত জনবলের ঘাটতি।

শাখার বর্তমান জনবল:

  • পরিচালক- ০১ জন

  • উপপরিচালক- ০১ জন, শূণ্য পদ- ০২ জন

  • সহকারী পরিচালক- ০৩ জন, শূণ্য পদ- ০৬ জন

ফাইল ১

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন