কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ০১:৪২ PM
কন্টেন্ট: পাতা
শাখাঃ স্তরতত্ত্ব ও জীবস্তরতত্ত্ব
(Branch : Stratigraphy and Biostratigraphy)
শাখা প্রধানঃ জনাব মোঃ কামরুল আহসান পরিচালক (ভূতত্ত্ব) ফোন (অফিস) ৮৩১৪৮০০ মোবাইল ০১৭১১৭৩৩৬৯০ ই-মেইল kamrul.ahsan@gsb.gov.bd | ![]() |
বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের স্ট্র্যাটিগ্রাফি ও বায়োস্ট্র্যাটিগ্রাফি শাখার মূল উদ্দেশ্য হলো শিলাস্তর ও জীবাশ্ম পর্যবেক্ষণ, বিশ্লেষণ ও অধ্যয়নের মাধ্যমে ভূতাত্ত্বিক স্তরের আপেক্ষিক বয়স নির্ধারণ, ভূতাত্ত্বিক ইতিহাস মূল্যায়ন, ভূতাত্ত্বিক স্তরের ক্রমবিন্যাস ও বিভিন্ন শিলাস্তরের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ধারণ সংক্রান্ত ভূতাত্ত্বিক তথ্য সংগ্রহ এবং সংরক্ষণ। এছাড়াও শাখাটি স্তরতাত্ত্বিক ও জীবস্তরতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ এর মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত পরিবর্তনের তথ্য সংগ্রহ করে, যা বর্তমানে ভূ-সম্পদ অনুসন্ধান এবং পরিবেশগত পরিবর্তন বিষয়ক গবেষণায় ব্যবহৃত হয়। উক্ত শাখার গবেষণা কার্যক্রম দুটি পরীক্ষাগারে সম্পাদিত হয়।
প্যালিওনটোল্যজিক্যাল গবেষণাগারে অনুজীব ও জীবাশ্ম (ফোরামিনিফেরা ও অষ্ট্রাকোডা) এবং মেগাজীব ও জীবাশ্ম (ব্রাকিওপোড, গ্যাস্ট্রোপোড ও প্যালিসাইপোড ইত্যাদি) বায়োইনডিকেটরসমূহকে পরীক্ষাগারে প্রস্তুতকরণ (Processing) শেষে স্টেরিওজুম মাইক্রোসকোপের মাধ্যমে উত্তোলন, সনাক্তকরণ ও পর্যবেক্ষণ করা হয়। প্যালিনোজিক্যাল গবেষণাগারে প্যালিনোমরফ (পোলেন, স্পোর, ডায়াটম, এ্যালগি, ডায়নোফ্লাজিলেট ইত্যাদি) নমুনাসমূহের স্লাইড প্রস্তুতকরণ শেষে বায়োল্যজিক্যাল মাইক্রোসকোপের মাধ্যমে সনাক্তকরণ ও পর্যবেক্ষণ করা হয়।
স্ট্র্যাটিগ্রাফি ও বায়োস্ট্র্যাটিগ্রাফির সমন্বিত গবেষণার মাধ্যমে তেল, গ্যাস এবং খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানে স্পোর, পোলেন ও প্যালিনোমরফ এর ম্যাচুরেশন পর্যবেক্ষণ ছাড়াও দূষণের প্রভাব ও জলবায়ুর পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ এবং মূল্যায়নে বায়োইনডিকেটর টুল হিসেবে ফোরামিনিফেরা ব্যবহার করা হয়, যা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তথ্য ও উপাত্ত আদান-প্রদানের মাধ্যমে দেশের টেকসই উন্নয়নে পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে সহযোগিতা করে চলেছে এই শাখা।

শাখায় সংশ্লিষ্ঠ কর্মকর্তাবৃন্দ:
১. কাজী মানসুরা আখতার, উপ পরিচালক (ভূতত্ত্ব)
২. সৈয়দা জেসমিন হক, উপ পরিচালক (ভূতত্ত্ব)
৩. মো: হারুন-আর-রশীদ, সহকারী পরিচালক (ভূতত্ত্ব)
৪. সাবিনা ইয়াসমিন, সহকারী পরিচালক (ভূতত্ত্ব)
৫. মো: আরিফ পরাগ, সহকারী পরিচালক (ভূতত্ত্ব)
শাখার দায়িত্ব ও কার্যাবলী:
বহিরঙ্গনে বিশদ জরিপ পরিচালনা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ।
বাংলাদেশের পূর্ণাঙ্গ স্ট্র্যাটিগ্রাফি নির্মাণ।
বহিরঙ্গন থেকে সংগৃহীত নমুনার গবেষণাগারে প্রস্তুতকরণ, মাইক্রো এবং মেগাজীবাশ্মসমূহ (ফোরামিনিফেরা, অষ্ট্রাকোডা, প্যালিনোমরফ, ডায়াটম, ব্রাকিওপোড, গ্যাস্ট্রোপোড, প্যালিসাইপোড ইত্যাদি) পৃথকীকরণ এবং সনাক্তকরণ।
প্রাপ্ত মাইক্রো, মেগাজীব ও জীবাশ্মসমূহের মরফোল্যোজি, সঙ্ঘটন (Occurrence) ও সন্নিবেশ (Assemblage) এর উপর ভিত্তি করে ক্যাটালগ প্রস্তুত ।
সনাক্তকৃত মাইক্রো এবং মেগাজীবাশ্ম সমূহ পর্যালোচনার মাধ্যমে প্রত্নভূতাত্ত্বিক পরিবেশ (প্যালিওএনভায়রনমেন্ট) ও বিবর্তন সংক্রান্ত গবেষণাকর্ম পরিচালনা করা।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে গবেষণা করা এবং সনাক্তকৃত অণুজীব, মেগা অর্গানিজম এবং জীবাশ্ম থেকে তথ্য ও উপাত্তের ভিত্তিতে উপকূলীয় দূষণ পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে গবেষণা কাজ পরিচালনা করা।
দেশের উন্নয়ন কর্মকান্ডে চাহিদা মোতাবেক স্তরতাত্ত্বিক ও জীবস্তরতাত্ত্বিক সংক্রান্ত তথ্যাদি সরবরাহ।
প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রতিবেদন প্রণয়ন এবং কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
বিভিন্ন শিক্ষা ও গবেষণামূলক প্রতিষ্ঠানকে তথ্য ও উপাত্ত সরবরাহ করে এবং ভূবৈজ্ঞানিক জ্ঞান বৃদ্ধি ও প্রযুক্তিগতভাবে দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করা।
প্রশিক্ষণ, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও ওয়ার্কশপ এর আয়োজন ও অংশগ্রহনের মাধ্যমে গবেষকদের দক্ষতা অর্জনের সহায়তা প্রদান করা।